Skip to main content

মুস্কান


ছোটোবেলা থেকে আর পড়াশোনা করা হয়ে ওঠেনি মুস্কান-এর। জন্ম দিয়ে বাবা পালিয়েছে। বাড়ী নেই, আপনজন বলতেও কেউ নেই। আছে কেবল তার নিজের জীবনটা। মুস্কানের কলকাতার রাস্তায় ভিক্ষা করে দিন কেটে যায়। আর যখন রাস্তার পাশ থেকে বড় বড় গাড়ি যায়, তখন ওর মনে মনে কাল্পনিক একটা ইচ্ছা জন্মায় গাড়ি চরবার। ৩১/০৩/১৬ হ্যাঁ আজ ওর ইচ্ছা পুর্ণ হল। মানে আজ মুস্কান একেবারে এ.সি গাড়ি চড়ল। ওই দুপুর ১২:৪০ নাগাদ। আর ওর গন্তব্যস্থল ছিল কোলকাতা মেডিকেল কলেজ। সব থেকে বড় কথা আজ মুখ্যমন্ত্রীরর সাথেও মুস্কানের দেখা হল। এসব কিছুই হত না যদি আজ বিবেকানন্দ সেতু না ভেঙে পড়ত।

Comments

Popular posts from this blog

উদ্দালক

তোমার প্রেরণায় প্রতিভাত আমি সুষ্ঠ ভাবে ছন্দিত আজ; তোমার করণ-কৌশল অনুকরন করে সৃজিত হল গতিহীন কাজ। নিষ্কম্প দৃষ্টি তোমার স্বভাবানুগত উপমাহীন; মোর চিত্তের অনুগত প্রেম উৎকৃষ্ট তাই হয়েছে দীন! রকমারি প্রেম দেখা হলো শেষ, রাশিকৃত ক্রোধ ব্যপ্ত মনে; আয়ত্বাতীত তত্ত্ব বিচার সারা হলো আজ মনের কোনে!

শ্রেষ্ঠ নারী

মা তুমি, রক্ষা করেছো মোরে, শাড়ির উষ্ণ আঁচল দিয়েছো শীতের ভোরে। জানতো, দিনের আকাশে সূর্য তুমি, রাতের আকাশে চাঁদ, তোমার প্রেমের মানিক আমি, বোজাবো দুখের খাদ। যখন, বয়স গিয়ে ঠেকল ষাটে, পঁচিশে আমি দিলাম পা, সাফল্য তখন পেয়ে গেছি, কি'গো, তুমি খুশি তো ‘মা’! জানি, তোমার কোলে মানুষ হয়েছি, উচ্চ-মহলে পেয়েছি ঠাঁই; মা'গো তুমি শ্রেষ্ঠ নারী, এমন আপন আর কেউ নাই।

আমরা গরিব তাই

|| আমরা গরীব তাই || আমরা গরীব তাই মেনে নিতে হয়,। কাজ করে খেতে হবে ― মেধা পড়ে রয়; জীবন অভাবে ভরা, কিছু আয় চাই, কলেজে তাই আর পড়া হয় নাই। সকালেতে মাঠে যাই, বিকেলেতে দুঃখ, আগামীকাল ভাবার পরে চেহারাটা রুক্ষ। বুক ভরা স্বপ্ন, সফলতা পাব ঠিক! ― এই আশাতে বাঁচি, রুপকথার নিরিখ। বুকে বল মুখে হাসি, ভেতরটা পুড়ে ছাই, কিছুই করার নেই, আমরা গরীব তাই।। © সুরোজিৎ অবসাদে অবসর কাটানোর থেকে, কবিতা লেখাই ভালো।