Skip to main content

Posts

প্রিয়তমা তোমাকে

 একটুখানি বৃষ্টি দিলাম তোমায়, পারলে রাখ বন্ধ মুঠোয় ভরে, বিনিময়ে চাইনা কিছুই আমার, শুধু তোমায় নেব নিজের মত করে। তোমায় দেব মেঘলা বিকেল বেলা, আর দেবো জ্যোৎস্না মাখা চাঁদ, আসবে যখন ফিরিয়ে দেওয়ার পালা, আমায় দিও শক্ত একটা কাঁধ। আমায় দিও একটা কালো ছাতা, ভিজতে হলে ভিজব দু'জন মিলে, তুমি আমার শীতের ভোরের কাঁথা, গ্রীষ্মে যেমন আমার পাখা ছিলে! আমায় দিও একটা মনের মত বাড়ি, আমায় দিও স্নিগ্ধ একটা মন, ঝগড়া শেষে দেখলে আড়াআড়ি, তোমায় দেব আমার অনেক্ষন। © সুরোজিৎ ঘোষ (১০/০৪/২০২৫)
Recent posts

কল্পনা

 দিন শেষে রাত হলে, কবিতারা কথা বলে; সে ভাষা বুঝি না আমি, তাই ছুটি পিছু-পিছু  — কই, তুমি তো বলনা কিছু! স্নিগ্ধ হাওয়ায় ভাসি, আমি-তুমি পাশাপাশি; সে ছোঁয়া বুঝিনা আমি, তাই যত কাছে যাই — তোমাতে হারিয়ে যাই! রাত শেষে দিন হলে, পাখিদের কোলাহলে; যেন আগের, একেলা আমি, যখনই আলোতে যাই — একা আমি, তুমি নাই!

নিমন্ত্রণ ও ভয়ানক রাত

নিমন্ত্রণ ও ভয়ানক রাত ~ সুরোজিৎ ঘোষ   রাতের খাওয়া-দাওয়ার পর পর্ণোদের বাড়ি থেকে বেরোতে অনেক লেট হয়ে গেল। সুনীতা আর পর্ণো'র চক্করে আজ বাড়িতে রণক্ষেত্র বাঁধবে। ইতিমধ্যেই পায়েল ১২ বার কল করে ফেলেছে। পর্ণোদের সঙ্গে হটাৎ স্টেশনে দেখা হয়ে গেছিল। ওরা কি কি সব শপিং করে ফিরছিল, আর আমি ফিরছিলাম অফিস থেকে। সুনীতার সঙ্গে প্রায় ২ বছর পর দেখা, খুব আগ্রহের সঙ্গে বেশ ক্ষানিকটা সময় স্টেশনেই গল্প করে ফিরতে যাব— এরকম সময় পর্ণোর দাবী আজ রাতে ওদের বাড়ি যেতেই হবে! অনেক বুঝিয়েও পারা গেল না।  সন্ধ্যে ৭ টা বাজে তখন, আমাকে ৯টার মধ্যে ছেড়ে দেবে এই প্রতিশ্রুতি পেয়ে অবশেষে রাজি হলাম।  সুনীতার সাথে আমার পরিচয় হয় কলেজে, প্রথমের দিকে তেমন একটা কথা বার্তা না হলেও শেষের দিকে আমাদের বন্ধুত্ব ছিল দারুন গাঢ়। তারপর কলেজের শেষে কে-কোথায়-কিভাবে ছড়িয়ে গেল! তারপর বছর কিছু পর, কাজের খোঁজ করতে-করতে একদিন আবার হঠাৎ দেখা হয়ে যায় সুনীতার সাথে, সঙ্গে ছিল পর্ণো। আগামী মাসে ওদের বিয়ে। আমাকে আমন্ত্রণ আর থ্রেট দু'টোই এক সাথে করেছিল। যদিও ওদের বিয়েতে আর যাওয়া হয়নি আমার।   অনেকদিন পর রাতে ৪ পেগ খেয়েছি। মানে জ...

ব্যথা

তোমায় পাশে চেয়েছিলাম, একটা ঘর সাজাব বলে; অনেক সময় হারিয়ে গেছে, তোমায় পাওয়ার ছলে। অনেক আকাশ মেঘলা আজও, আমার মনের মত, তুমি এসেও হারিয়ে গেলে, রইল পড়ে ক্ষত। রইল অনেক অভিজ্ঞতা, শিখিয়েছিলে তুমি, পালন করার চেষ্টা করে তৈরি হব আমি। তৈরি হয়ে যেদিন আবার তোমার কাছে যাবো, সত্যি বলো, মনের থেকে তোমায় কি আর পাবো! নাও যদি পাই কাছের থেকে, তোমার মনে রেখো, সত্যি যদি মনে না থাকি! মিথ্যে বলতে শেখো। আর, যদি তৈরি না হই তোমার মত, মুখ দেখাবোনা আর, মিথ্যে আমি, মিথ্যে সবাই চাইবো না বিচার। 🙂

বদলে যাওয়া সময় আর স্মৃতি

সময় চলে যায় - বদলে যায় অবস্থা, বেঁচে থাকার কারনগুলো বদলে যায় হঠাৎ! অন্যকে দেওয়া কথাগুলোও বদলে যায় নিজে থেকে, ঘড়ির কাঁটা যেমন টিক-টিক করে ছোটে! বদলায় মনের অবস্থা, তার সাথে সাথে দিন, সপ্তাহ-মাস-বছর শেষে, একটু মিলিয়ে নিন; প্রেম ছিল নাকি ভালোলাগা শুধু; হিসেব মিলবে না! বন্ধুত্ব? সেতো আরো বেশি দামী, সবার কি আর জোটে! সময় আরও এগিয়ে যাবে, স্মৃতি তো নিশ্চিত থাকবে! বয়স হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কয়েকটা চুল পাকবে। ব্যর্থতা নাকি সফলতা'র জন্যে, ভাবনা মিলবে না! বিশ্বাস! সেতো ভুল করে করা, ওই গোলাপী ঠোঁটে!

উদ্দালক

তোমার প্রেরণায় প্রতিভাত আমি সুষ্ঠ ভাবে ছন্দিত আজ; তোমার করণ-কৌশল অনুকরন করে সৃজিত হল গতিহীন কাজ। নিষ্কম্প দৃষ্টি তোমার স্বভাবানুগত উপমাহীন; মোর চিত্তের অনুগত প্রেম উৎকৃষ্ট তাই হয়েছে দীন! রকমারি প্রেম দেখা হলো শেষ, রাশিকৃত ক্রোধ ব্যপ্ত মনে; আয়ত্বাতীত তত্ত্ব বিচার সারা হলো আজ মনের কোনে!

প্রেমিকেরা অপেক্ষায় থাকে

প্রেমিকেরা অপেক্ষায় থাকে, বাগানবাড়ির সামনে তোমায় প্রথম দেখেছি, প্রেমে পড়েছি আরও অনেক পরে; তোমার রুপের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছি আমি, যেমন গাছেরা মাটিকে আঁকড়ে ধরে। ঠিক কত বছর পার হয়ে যায়— খেয়াল থাকে না, অপেক্ষা থাকে! বাগান বাড়ির রাস্তা একা থেকে যায়; প্রেমিক খুঁজতে থাকে নতুন বৈশাখ। প্রশান্ত যেটুকু সময় ছিল— গোধুলী-বেলার লালচে আকাশ জুড়ে, কালবৈশাখী ঝড়ে এলোমেলো হতে থাকে, প্রেমিক এখনও অপেক্ষায় গঙ্গা নদীর তীরে।