Skip to main content

সময়

|| সময় ||


বড় দুরূহ এ বাস্তব
শিরোধার্য করিতে ডরি,
শাসনভার যার উপর,
কেমনে বিরোধীতা করি!
তৃণসম ক্ষীণ আমি
এদেশ দুর্বলতাময়,
ঝলি ওঠে ন্যায়ের দন্ড
এথায় শুধু অসৎ কার্য হয়।
সত্য বলিলে বন্দি হব,
তৃণসম ক্ষীণ আমি
বিচারের স্রোতে রক্ত,
চিত্ত আজিকে ভয়পূর্ন
অত্যাচারের ভয়,
শিক্ষিত তবে বিচারবুদ্ধিহীন,
তৃণসম ক্ষীণ আমি
ভুলেও আর সত্য কথা নয়।
বিধাতাই একমাত্র পথ,
আমি শিরদাঁড়াহীন আজ
বিচারবুদ্ধিহীন নই,
তৃণসম ক্ষীণ আমি
সত্যিই কী আমি ক্ষীণ?
আমি সাহসী-বীর ছেলে
তৃণসম ক্ষীণ তুমি?
কর্মোৎসাহী হও সব,
তৃণসম ক্ষীণ আমি?
পুনর্জাগরণ কই?
চলো নিদ্রাভঙ্গ করি
একীভূত হয়ে বলি,
নইলে সত্যের পথে চলি।

Comments

Popular posts from this blog

উদ্দালক

তোমার প্রেরণায় প্রতিভাত আমি সুষ্ঠ ভাবে ছন্দিত আজ; তোমার করণ-কৌশল অনুকরন করে সৃজিত হল গতিহীন কাজ। নিষ্কম্প দৃষ্টি তোমার স্বভাবানুগত উপমাহীন; মোর চিত্তের অনুগত প্রেম উৎকৃষ্ট তাই হয়েছে দীন! রকমারি প্রেম দেখা হলো শেষ, রাশিকৃত ক্রোধ ব্যপ্ত মনে; আয়ত্বাতীত তত্ত্ব বিচার সারা হলো আজ মনের কোনে!

প্রিয়তমা তোমাকে

 একটুখানি বৃষ্টি দিলাম তোমায়, পারলে রাখ বন্ধ মুঠোয় ভরে, বিনিময়ে চাইনা কিছুই আমার, শুধু তোমায় নেব নিজের মত করে। তোমায় দেব মেঘলা বিকেল বেলা, আর দেবো জ্যোৎস্না মাখা চাঁদ, আসবে যখন ফিরিয়ে দেওয়ার পালা, আমায় দিও শক্ত একটা কাঁধ। আমায় দিও একটা কালো ছাতা, ভিজতে হলে ভিজব দু'জন মিলে, তুমি আমার শীতের ভোরের কাঁথা, গ্রীষ্মে যেমন আমার পাখা ছিলে! আমায় দিও একটা মনের মত বাড়ি, আমায় দিও স্নিগ্ধ একটা মন, ঝগড়া শেষে দেখলে আড়াআড়ি, তোমায় দেব আমার অনেক্ষন। © সুরোজিৎ ঘোষ (১০/০৪/২০২৫)

প্রেমিকেরা অপেক্ষায় থাকে

প্রেমিকেরা অপেক্ষায় থাকে, বাগানবাড়ির সামনে তোমায় প্রথম দেখেছি, প্রেমে পড়েছি আরও অনেক পরে; তোমার রুপের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছি আমি, যেমন গাছেরা মাটিকে আঁকড়ে ধরে। ঠিক কত বছর পার হয়ে যায়— খেয়াল থাকে না, অপেক্ষা থাকে! বাগান বাড়ির রাস্তা একা থেকে যায়; প্রেমিক খুঁজতে থাকে নতুন বৈশাখ। প্রশান্ত যেটুকু সময় ছিল— গোধুলী-বেলার লালচে আকাশ জুড়ে, কালবৈশাখী ঝড়ে এলোমেলো হতে থাকে, প্রেমিক এখনও অপেক্ষায় গঙ্গা নদীর তীরে।