Skip to main content

কাল্পনিক


জ্যোৎস্না রাতের মাঝ আকাশ যখন একা,
একদল তারা দপদপ করে জ্বলতে জ্বলতে যখন ক্লান্ত,
যখন নদীর দোদুল্যমান জলে চাঁদের আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে;
ঠিক তখন পিছনে ফিরে দেখবে,
অপরুপা এক নারী।
সারা শরীরের স্নায়ু যখন অবশ হয়ে পড়বে,
যখন তার প্রেম পাওয়ার লালসায় তুমি হিংস্র হয়ে উঠবে;
বাতাস তখন উত্তপ্ত হয়ে শরীর থেকে ঘাম ঝড়াবে তোমার।

তাকে স্পর্শ করে বুঝবে আসলে সবই কাল্পনিক!

Comments

Popular posts from this blog

উদ্দালক

তোমার প্রেরণায় প্রতিভাত আমি সুষ্ঠ ভাবে ছন্দিত আজ; তোমার করণ-কৌশল অনুকরন করে সৃজিত হল গতিহীন কাজ। নিষ্কম্প দৃষ্টি তোমার স্বভাবানুগত উপমাহীন; মোর চিত্তের অনুগত প্রেম উৎকৃষ্ট তাই হয়েছে দীন! রকমারি প্রেম দেখা হলো শেষ, রাশিকৃত ক্রোধ ব্যপ্ত মনে; আয়ত্বাতীত তত্ত্ব বিচার সারা হলো আজ মনের কোনে!

শ্রেষ্ঠ নারী

মা তুমি, রক্ষা করেছো মোরে, শাড়ির উষ্ণ আঁচল দিয়েছো শীতের ভোরে। জানতো, দিনের আকাশে সূর্য তুমি, রাতের আকাশে চাঁদ, তোমার প্রেমের মানিক আমি, বোজাবো দুখের খাদ। যখন, বয়স গিয়ে ঠেকল ষাটে, পঁচিশে আমি দিলাম পা, সাফল্য তখন পেয়ে গেছি, কি'গো, তুমি খুশি তো ‘মা’! জানি, তোমার কোলে মানুষ হয়েছি, উচ্চ-মহলে পেয়েছি ঠাঁই; মা'গো তুমি শ্রেষ্ঠ নারী, এমন আপন আর কেউ নাই।

আমরা গরিব তাই

|| আমরা গরীব তাই || আমরা গরীব তাই মেনে নিতে হয়,। কাজ করে খেতে হবে ― মেধা পড়ে রয়; জীবন অভাবে ভরা, কিছু আয় চাই, কলেজে তাই আর পড়া হয় নাই। সকালেতে মাঠে যাই, বিকেলেতে দুঃখ, আগামীকাল ভাবার পরে চেহারাটা রুক্ষ। বুক ভরা স্বপ্ন, সফলতা পাব ঠিক! ― এই আশাতে বাঁচি, রুপকথার নিরিখ। বুকে বল মুখে হাসি, ভেতরটা পুড়ে ছাই, কিছুই করার নেই, আমরা গরীব তাই।। © সুরোজিৎ অবসাদে অবসর কাটানোর থেকে, কবিতা লেখাই ভালো।